-->

দাউদের সবচেয়ে ভালো মলম

দাউদের সবচেয়ে ভালো মলম
দাউদ বা দাদ অতি পরিচিত একটি চর্ম রোগ। বিভিন্ন ফাঙ্গাল ইনফেকশন বা ছত্রাকের আক্রমণের কারণে এই চর্মরোগটি হয়ে থাকে। এটি শরীরের বিভিন্ন স্থানে যেমন হাত-পা, হাতের বা পায়ের আঙ্গুল, মাথা, পিঠ ইত্যাদি সমস্ত জায়গায় হতে পারে।

আজকের পোস্টে আমরা দাউদের লক্ষণ এবং এর চিকিৎসার জন্য দাউদের সবচেয়ে ভালো মলম এবং ক্রিম এছাড়াও দাউদ ভালো করার জন্য ঘরোয়া চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেছি।

দাউদ কেন হয় | দাউদ এর লক্ষণ

দাউদ হচ্ছে এক ধরনের ছোঁয়াচে রোগ যা বিভিন্ন ধরনের ছত্রাক বা ফাঙ্গাল ইনফেকশনের কারণে হয়ে থাকে। দাদ রোগের জীবাণু বহনকারী বিভিন্ন জিনিসের সংস্পর্শে আসলে শরীরের দাউদ দেখা দিতে পারে। 


দাউদ রোগের লক্ষণ সাধারণত ত্বকের উপরেই প্রকাশ পায়। ত্বকের উপরে গোলাকার ভাবে লাল হয়ে যায় এবং র‍্যাশ দেখা দেয়। দাউদ রোগের কয়েকটি লক্ষণ নিচে দেওয়া হলো।


  • সম্ভাব্য আক্রান্ত স্থানের আশেপাশে এবং আক্রান্ত স্থানে লোম অথবা চুল থাকলে সেগুলো পড়ে যায়। 

  • আক্রান্ত স্থান ফুলে যায় এবং লাল হয়ে যায়।

  • স্থানটিতে চুলকানি এবং র‍্যাশ দেখা দেয়।

দাউদের সবচেয়ে ভালো মলম

দাউদের মলম বা ক্রিম ব্যবহার করার পূর্বে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। তবে আপনাদের সুবিধার্থে আমরা নিচে দাউদের সবচেয়ে ভালো মলম গুলো নাম এবং ব্যবহার সম্পর্কে আলোচনা করেছি।


  • Fanzirox Cream

  • Clopirox Cream

  • Ciclorox Cream

  • Lulizol Cream

  • Econate Cream

  • Ecoren Cream

  • Pevaryl Cream

  • Lulexa Cream

  • Lucazol Cream

  • Lulider Cream

  • Lulikill Cream

দাউদ কিভাবে ভালো হয়

দাউদ কিভাবে ভালো হয় - দাউদ যেহেতু একটি সংক্রামক রোগ তাই এটি থেকে বেঁচে থাকা কিছুটা মুশকিল। তবে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ সেবন করলে এবং সমস্ত নিয়মকানুন মেনে চললে দাউদ ভালো করা সম্ভব।

দাউদের ঘরোয়া চিকিৎসা কি

ঘরোয়া ভাবে দাউদের চিকিৎসা করলে তেমন ভালো ফলাফল পাওয়া যায় না। কারণ এটি ফাঙ্গাল ইনফেকশনের কারণে হয়ে থাকে তাই এন্টিফাঙ্গাল ক্রিম বা ঔষধ সেবন করতে হয়। তবে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার অথবা কাঁচা হলুদ ব্যবহার করা যেতে পারে কারণ এগুলোতে এন্টিফাঙ্গাল গুণাবলী রয়েছে।


ত্বকে দাউদের লক্ষণ বা দাদ রোগ দেখা দিলে সর্বপ্রথম যে বিষয়গুলোর প্রতি খেয়াল রাখতে হবে সেগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো। 


  • যে স্থানে দাউদের লক্ষণ প্রকাশ পেয়েছে শেষ স্থান সবসময় শুকনো ও পরিষ্কার রাখতে হবে।

  • আক্রান্ত স্থানে হাত দিলে সাথে সাথে হাত ধুয়ে ফেলতে হবে।

  • নিজের ব্যবহার্য কাপড়চোপড় ও জিনিসপত্র নিয়মিত গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।

  • দাউদ আক্রান্ত স্থানে চুলকানি দেখা দিলেও চুলকাবেন না এ থেকে বিরত থাকবেন। কারণ চুলকানির ফলে শরীরের অন্যান্য জায়গায় দাউদ ছড়িয়ে পড়তে পারে। 

  • যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে এবং ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ঔষধ এবং মলম ব্যবহার করতে হবে।

শেষ কথা

আপনারা যদি দাউদে আক্রান্ত হন তাহলে অবশ্যই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করবেন। আক্রান্ত স্থান সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখবেন।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url