-->

কার্যকরী পাতলা পায়খানার ট্যাবলেট এর নাম ২০২৪

পাতলা পায়খানার ট্যাবলেট এর নাম

ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা রোগটি অনেকের কাছে পরিচিত। কারণ কোনো না কোনো সময় অনেকে হয়তো এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। বিভিন্ন ধরনের জীবাণু এবং ভাইরাস পেটে প্রবেশ করলে পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়া দেখা দেয়।  

আমি আপনাদের জানাবো, পাতলা পায়খানা হওয়ার কারণ, পাতলা পায়খানা হলে কি করণীয় এবং ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানার ট্যাবলেট এর নাম ইত্যাদি বিষয় বিস্তারিতভাবে।

বড়দের পাতলা পায়খানার ট্যাবলেট এর নাম


নিচে বড়দের পাতলা পায়খানা ট্যাবলেট এর নাম দেওয়া হলো।

  • Filmet
  • Cipcrocin
  • Amiflox
  • Ancipro
  • Bactin
  • Beuflox
  • Cibact
  • Cipro A
  • Ciprox
  • Deflox
  • Flontin
  • Amodis

বাচ্চাদের পাতলা পায়খানার ট্যাবলেট এর নাম

আপনাদের সুবিধার্থে নিচে কিছু বাচ্চাদের পাতলা পায়খানা ট্যাবলেটের নাম দেওয়া হলো। 


  • Filmet 200 mg

  • Cipcrocin 200 mg অথবা সাসপেনশন

  • জিংক জাতীয় সিরাপ বা ট্যাবলেট

পাতলা পায়খানা কেন হয়?

পাতলা পায়খানা হওয়ার মূল কারণ হচ্ছে অপরিষ্কার - অপরিচ্ছন্ন থাকা এবং ভালো করে হাত মুখ না ধুয়ে কোন খাবার খাওয়া। ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা হচ্ছে এক ধরনের পেটের রোগ। পেটে বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া ও কলেরা জীবাণু প্রবেশ করার কারণে পেটের মধ্যে ব্যাথা অনুভূত হয় এবং পাতলা মলত্যাগ হয়।

পাতলা পায়খানা হলে করণীয়

পাতলা পায়খানা হলে করণীয় কি? যদি স্বাভাবিক পাতলা পায়খানা হয় মানে দিনে তিনবার এর কম মলত্যাগ হয় তাহলে তেমন অসুবিধার কিছু নেই। প্রাথমিক চিকিৎসা যেমন ওরস্যালাইন খাওয়া, ডাব এর পানি খাওয়ার মাধ্যমে এই সমস্যা দূর করা যায়।


পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়া হলে শরীর থেকে অতিরিক্ত পরিমাণে পানি বের হয়ে যায়। এই পানির ঘাটতি পূরণ করতে না পারলে অনেকের শরীর শুকিয়ে যায়, বারবার পিপাসা পায়, প্রস্রাব এর পরিমাণ কমে যায়, এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

স্কয়ার কোম্পানির পাতলা পায়খানার ঔষধ

স্কয়ার বাংলাদেশে অনেক ভালো ওষুধ কোম্পানি হিসেবে পরিচিত। তাই পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়া হলে অনেকে স্কয়ার কোম্পানির পাতলা পায়খানার ঔষধ সেবন করে থাকে।


Amodis, Cipcrocin ইত্যাদি হলো স্কয়ার কোম্পানির তৈরি পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়া রোগ নিরাময়ের ঔষধের নাম।

পাতলা পায়খানার ঘরোয়া চিকিৎসা

পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়া হলে সব সময় ঘরোয়া চিকিৎসার প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। কারণ এই রোগে বেশিরভাগ সময় শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণ পানি বের হয়ে যায়। তাই পানি শূন্যতা দূর করার জন্য ঘরোয়া চিকিৎসা হিসেবে বেশি বেশি পরিমাণে স্যালাইন পানি খেতে হবে।


তাছাড়া পানি শূন্যতা পূরণ করার জন্য এবং পাতলা পায়খানা রোগের ক্ষেত্রে ডাবের পানি অনেক কার্যকর। তাই ঘরোয়া চিকিৎসা হিসেবে এই দুইটি পদ্ধতি অবলম্বন করা যেতে পারে।


এছাড়া ও সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত পরিষ্কার করতে হবে। অতিরিক্ত পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়া দেখা দিলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। 

ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা নিয়ে কিছু FAQ 

পাতলা পায়খানা হলে মাছ খাওয়া যাবে কি?

হ্যা, পায়খানা হলে মাছ বা অন্যান্য সকল ধরনের পরিষ্কার খাবার খাওয়া যাবে। এতে কোন সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা নেই। 


ডায়রিয়া হলে কি দই খাওয়া যাবে?

হ্যা, ডায়রিয়া হলে দই খাওয়া যাবে। অনেকেই দেখা যায় ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা হলে দই খেতে নিষেধ করেন। আসলে এটি ভালো উপদেশ নই। দই খেলে পেটে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে যার ডায়রিয়া রোগীদের ক্ষেত্রে অনেক ভালো।


ডায়রিয়া হলে ডিম খাওয়া যাবে?

হ্যা, ডায়রিয়া মাংস, ডিম সহ সকল ধরনের প্রোটিন প্রোটিন খাবার খাওয়া যাবে কিন্তু প্রথম দিকে কিছু কম খাওয়া ভালো। তবে, বিভিন্ন ধরনের ভাজাপোড়া এবং বাইরের খাবার খাওয়া যাবেনা। চা, কফি এবং অ্যালকোহল ত্যাগ করতে হবে।

শেষ কথা

আজকের পোস্টে আমরা ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা রোগের বিভিন্ন ঔষধের নাম ও এদের ব্যবহার সম্পর্কে জেনেছি। তবে সব ধরনের ওষুধ খাওয়ার আগে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হয়।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url